আধুনিক যুগের কমোডো ড্রাগন

0
41

নয়া জামানা ডেস্কঃ ড্রাগন বলতে আমাদের চোখের সামনে এমন এক প্রাণী ভেসে ওঠে যাকে দেখতে বৃহদাকার গিরগিটির মতো! ক্ষেপে গেলে মুখ দিয়ে আগুন বের হয়। যে প্রাণীটি সহজেই উড়ে মিলিয়ে যায় আকাশের কোনো প্রান্তে! এমনই এক ড্রাগনের সন্ধান মিলেছে ইন্দোনেশিয়ার কমোডো দ্বীপ থেকে। যদিও তারা দেখতে অনেকটা পৌরাণিক সেই ড্রাগনের মতোই তবে পৌরাণিক ড্রাগন নয়। এ কারণে হয়তো প্রাণী বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ‘কমোডো ড্রাগন’। ইন্দোনেশিয়া ছাড়া বিশ্বের আর কোথাও দেখা যায় না এদের। ইন্দোনেশিয়ার কমোডো দ্বীপ ছাড়াও প্রতিবেশি রিনকা, গিলি মটাঙ, নুসা কুড়ে ও পদার দ্বীপেও কিছু সংখ্যক ড্রাগনের দেখা মেলে। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, কমোডো দ্বীপে ১ হাজার ৭২১টি ড্রাগন রয়েছে। পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা প্রাণীদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে এ কমোডো ড্রাগন। কারণ, বিশ্বের আর কোথাও এদের অস্তিত্ব নেই। এ ছাড়া ইন্দোনেশিয়ার ওই দ্বীপগুলোতেও তারা নানা সংকটের মধ্যে রয়েছে। কমোডো ড্রাগন তিন মিটারের বেশি লম্বা হয় এবং এদের ওজন হয় ৭০ কেজিরও বেশি। ভারি শরীর নিয়ে এরা হাঁটে বেশ কষ্ট করেই। তবুও ঘণ্টায় এরা ২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারে। কমোডো ড্রাগন ডিম দেয় এবং বাচ্চা ফুটায়। এরা ৮ থেকে ৯ বছরে প্রাপ্ত বয়স্ক হয় এবং প্রায় ৩০ বছর পর্যন্ত বাঁচে। এদের দেখতে আপাত নিরীহ মনে হলেও কখনো এরা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। এরা বড় একটি প্রানিকেও হত্যা করে খেয়ে ফেলতে পারে। এটা তারা করে মুখের লালা দিয়ে। যে কোনো প্রাণীকে কামড় দিয়ে এরা চলে যায়। বিশাক্ত লালা শরীরে পচন ধরালে ওই প্রাণী মারা যায়।

Facebook Comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here