শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধে বেড়েছে ইন্সটাগ্রাম, টিকটক, লাইকি আসক্তি

0
45

নয়া জামানা ডেস্কঃ  করোনা জেরে দেশের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ সবধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান টানা ১৫ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান অনলাইনে কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করলেও বেশিরভাগ সময়ই অলসে করছেন শিক্ষার্থীরা। তথ্যপ্রযু্ক্তির এই যুগে দীর্ঘ এই অবসরে কম বয়সি শিক্ষার্থীরা বিগো লাইভ, টিকটক কিংবা লাইকির মতো প্লাটফর্মে ঝুঁকে পড়ছে। অনেকের মধ্যেই তৈরি হয়েছে আসক্তি। সম্প্রতি এক সমীক্ষায় জানা গেছে, করোনাকালে ভার্চ্যুয়ে প্লাটফর্ম ব্যবহারকারীর সংখ্যা তিনগুণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তাদের আশি শতাংশই শিক্ষার্থী।টিকটক, লাইকি অ্যাপসগুলো ব্যবহার করে দেশের শিশু কিশোর এবং যুব সমাজ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে এবং সারাদেশে কিশোর গ্যাং কালচার তৈরি হচ্ছে। করোনা মহামারিতে দিনের বেশিরভাগ সময় তাদের থাকতে হচ্ছে ঘরবন্দি। স্মার্টফোনের সহজলভ্যতায় ঘরে বসে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই দিনের দীর্ঘসময় পার করছেন ভার্চুয়েল স্ক্রিনে চোখ রেখে। এই সুযোগে তারা ঝুঁকছেন ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, টিকটক ও লাইকির মতো প্লাটফর্মে। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে ভিডিও কন্টেন্ট নির্মাতা বাড়াতে ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, ইউটিউব, টিকটক নানা অফারও দিয়ে আসছে। আর সেসব অফারে থাকছে নগদ অর্থ উপার্জনের সুযোগ। এছাড়াও সময় কাটানো, বিনোদনের এবং অর্থ আয়ের পাশাপাশি এসব প্লাটফর্মে চলছে ভার্চুয়াল খ্যাতি অর্জনের এক অশুভ প্রতিযোগিতা। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চিরায়ত ধারণা পাল্টে দিচ্ছে এসব ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইউটিউব, টিকটক এসবে উপস্থিতি বেড়েছে। শিক্ষার্থীদের স্মার্ট ডিভাইস দেওয়া হয় ক্লাস করার জন্য। কিন্তু তাদের একটি অংশ সেখানে ইউটিউবে যাচ্ছে, ফেসবুকে যাচ্ছে, এমনকি পর্নো সাইটেও যাচ্ছে। এরজন্য অভিভাবকদের আরও যত্নশীল হতে হবে।

Facebook Comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here