সন্তানের মধ্যে সুআচরণ গড়ে তুলতে মেনে চলুন চাণক্যের এই একটিমাত্র কথা

0
525

নয়া জামানা ওয়েব ডেস্ক: একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে চাণক্যের নাম আমাদের সকলের মুখে মুখে । তিনি তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ছিলেন। শিক্ষক ছাড়াও আচার্য চাণক্য দক্ষ অর্থনীতিবিদ ও সমাজবিজ্ঞানীও ছিলেন। চাণক্য মানব জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে এমন প্রতিটি বিষয় অধ্যয়ন করেছিলেন। এই প্রসঙ্গে, চাণক্য তাঁর চাণক্য নীতিতে বাবা-মা এবং সন্তানের মধ্যে সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিৎ সে বিষয়ে খুব ভালো কথা বলেছেন।

বাচ্চাদের বেশিরভাগ সময় বাড়ীতে ব্যয় হচ্ছে এই করোনার ভাইরাসের কারণে। দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ, পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে, বাইরে খেলা-ধুলো করতেও তারা যেতে পারছে না। এতে করে তারা সকলেই একপ্রকার বন্দী দশায় জীবন কাটাচ্ছে, বলা যেতেই পারে। তবে এই সময় বাচ্চারা ঘরে থাকার কারণে বাবা-মা তাদের ভালো করে খেয়াল রাখতে পারছেন, তাদের আচরণের প্রতিও সজাগ দৃষ্টি দিতে পারছেন।

তবে যখনই বাবা-মা তাদের শিশুদের কোনও ভুল অভ্যাস দেখেন, তখন তারা দুখী হন ও তাদের খারাপ লাগতে শুরু করে। তবে আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। চাণক্য শিশুদের লালন-পালনের বিষয়ে কিছু কথা বলেছেন, যা তাদের মধ্যে গড়ে ওঠা ভুল অভ্যাসগুলিকে জীবন থেকে দ্রুত সরিয়ে ফেলা যায়। কীভাবে, আসুন জেনে নেওয়া যাক-

যদি কোনও ব্যক্তির সন্তান তার কথা মেনে চলে, এবং ভুল কাজ না করে, পিতামাতাকে শ্রদ্ধা করে, তাদের সব কথা মানে, এককথায় সন্তান যদি বাবা-মায়ের বাধ্য হয়, তবে সেই বাবা-মায়ের জীবন স্বর্গের মতো হয়ে ওঠে। অন্যদিকে, শিশু যদি বাবা-মাকে অসম্মান করে, তবে বাবা-মায়ের জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিসহ। তাই সন্তানের লালনপালন করতে হবে এমনভাবে, যাতে সে একজন ভালো মানুষ হয়ে উঠতে সক্ষম হয়। এ ব্যাপারে আপনি
সর্বদা চাণক্যের এই একটি কথা মাথায় রাখুন-

সন্তানকে পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত প্রেম বা ভালোবাসা দেওয়া উচিৎ এবং তারপরে দশ বছরের জন্য কঠোর তদারকিতে তাকে রাখা উচিৎ। এর পরে, অর্থাৎ ষোল বছর পরে সন্তানের সাথে বন্ধুর মতো আচরণ করুন। কারণ ষোল বছর বয়সের পরেই তাদের মধ্যে ভুল অভ্যাসের বিকাশের সম্ভাবনা বেশি থাকে। অতএব, এই বয়সে সন্তানকে বন্ধু হিসাবে বিবেচনা করুন এবং তাকে ভাল এবং খারাপ বোধের অনুভব করান। এটি ভুল অভ্যাস থেকে আপনার সন্তানকে দূরে রাখতে সহায়তা করবে।

Facebook Comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here